আমার এক সপ্তাহের ফিটনেস জার্নি, gbajee এর সাথে!
· অফিসিয়াল
অফিস থেকে ফিরে যখন ক্লান্ত লাগতো, তখন ভাবতেই পারিনি gbajee আমার জীবন বদলে দেবে!
আমি একজন সাধারণ অফিস কর্মী। দিনের বেশিরভাগ সময় ডেস্কে বসে কাজ করতে হয়। ফলে যা হয় আর কি – শরীরটা কেমন যেন জড়সড় হয়ে যাচ্ছিলো, ক্লান্তি ছিল নিত্যসঙ্গী। বন্ধুরা প্রায়ই বলতো, ‘কিছু একটা কর, নইলে দেখবি শরীর একদম ভেঙে যাবে।’ আমিও ভাবতাম, কিন্তু সময় কই? জিম যাওয়া তো প্রায় অসম্ভব।
একদিন আমার এক সহকর্মী gbajee প্ল্যাটফর্মের কথা বললো। বললো, ওখানে নাকি সব ধরনের অ্যাপ পাওয়া যায়, আর সেগুলো খুব সহজে ডাউনলোড করা যায়। কৌতূহলবশত আমি gbajee তে ঢুঁ মারলাম। আর সেখানেই খুঁজে পেলাম আমার জন্য আদর্শ একটি ফিটনেস অ্যাপ!
আমার এক সপ্তাহের ডায়েরি:
- প্রথম দিন: অ্যাপটা ডাউনলোড করেই শুরু করলাম। প্রথমে একটু অনীহা ছিল, কারণ মনে হচ্ছিলো, ‘এসব কি আর আমার দ্বারা হবে!’ কিন্তু অ্যাপের সহজ ইন্টারফেস আর ছোট ছোট ওয়ার্কআউট রুটিন দেখে অবাক হলাম। মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য কিছু হালকা ব্যায়াম করলাম।
- তৃতীয় দিন: প্রথম দুই দিন একটু আলস্য লাগলেও, তৃতীয় দিনে এসে মনে হলো, ‘আরে, এটা তো বেশ মজার!’ অ্যাপটা সময়মতো মনে করিয়ে দিচ্ছিলো ব্যায়ামের কথা। হালকা ঘাম ঝরিয়ে বেশ ফুরফুরে লাগছিল।
- পঞ্চম দিন: এই দিনের মধ্যে আমি ওয়ার্কআউটের রুটিনটার সাথে বেশ অভ্যস্ত হয়ে গেছি। অফিস থেকে ফিরে আর ল্যাপটপের সামনে বসে থাকতে ইচ্ছে করছিল না, বরং অপেক্ষা করছিলাম কখন ব্যায়াম করবো! আমার ঘুমও ভালো হতে শুরু করেছে।
- সপ্তম দিন: এক সপ্তাহ শেষ! বিশ্বাস করতে পারবেন না, আমি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি চনমনে অনুভব করছি। সকালবেলা উঠতে আর কষ্ট হচ্ছে না, আর দিনের শেষে ক্লান্তিও কম লাগছে। মনে হচ্ছে, শরীরটা যেন আবার সচল হয়েছে।
gbajee থেকে এই ফিটনেস অ্যাপটা ডাউনলোড করে যে কত বড় উপকার হয়েছে, বলে বোঝাতে পারবো না। যারা আমার মতো অফিসের কাজ আর ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনে ফিটনেসকে অবহেলা করছেন, তাদের বলবো, একবার gbajee ভিজিট করে দেখুন। হয়তো আপনার জীবনও বদলে যাবে! আমি তো এখন পুরো ফিটনেস জার্নিটা উপভোগ করছি।