ভাবতেই পারিনি, এই বয়সে মোবাইল গেম খেলব! gbajee কে ধন্যবাদ!
· অফিসিয়াল
নাতনিরা যখন gbajee থেকে একটা গেম ডাউনলোড করে দিল, তখন বিশ্বাসই করতে পারিনি। কিন্তু এখন তো আমি নিজেই গেমে মগ্ন!
আমার নাম ফরিদা বেগম, বয়স প্রায় ৬৫। অবসর জীবনে আমার একটাই কাজ ছিল – গল্পের বই পড়া আর টিভি দেখা। মোবাইল ফোনটা শুধু কথা বলার জন্য ব্যবহার করতাম। ভাবতাম, এই বয়সে কি আর মোবাইল গেম খেলা যায়! ওসব তো ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য।
কিন্তু একদিন আমার নাতনিরা এসে ধরলো, ‘দাদি, চলো তোমাকে একটা নতুন জিনিস দেখাই!’ ওরা gbajee নামে একটা প্ল্যাটফর্ম থেকে একটা পাজল গেম ডাউনলোড করলো আমার ফোনে। প্রথমে তো বুঝতেই পারছিলাম না কী হচ্ছে। স্ক্রিনে নানা রঙের ব্লক দেখছিলাম, আর নাতনিরা বলছিল, ‘দাদি, একই রঙের ব্লকগুলো মেলাও!’
প্রথম অভিজ্ঞতা:
- প্রথমেই অবাক: গেমটা দেখতে এত সুন্দর! উজ্জ্বল রং, আর শব্দগুলোও বেশ মজার।
- একটু কঠিন মনে হচ্ছিলো: প্রথম কয়েকবার তো কিছুই মেলাতে পারছিলাম না। নাতনিরা হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছিলো। ওরা আমাকে ধরে ধরে শিখিয়ে দিল কীভাবে আঙুল দিয়ে সরাতে হয়, কীভাবে মেলাতে হয়।
- আস্তে আস্তে শিখলাম: অবাক করা বিষয় হলো, আমি খুব দ্রুতই গেমটা শিখে ফেললাম! প্রথম যখন একটা বড় ব্লক মিলিয়ে দিলাম, তখন যে কী আনন্দ হলো, বলে বোঝাতে পারবো না। মনে হচ্ছিলো যেন আমি একটা বড় কাজ করে ফেলেছি!
- এখন তো আসক্ত: এখন প্রতিদিন না খেললে আমার ভালো লাগে না। সকালের নাস্তার পর কিছুক্ষণ, দুপুরে খাওয়ার পর কিছুক্ষণ, আর রাতে ঘুমানোর আগে কিছুক্ষণ খেলি। এটা আমার অবসর সময় কাটানোর একটা নতুন মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই গেমটা আমার মনকে বেশ সতেজ রাখে। অনেক সময় মনে হয়, আমার বুদ্ধি আরও ধারালো হচ্ছে! নাতনিরাও এখন আমার সাথে গেম খেলে, আর আমরা একসাথে হাসাহাসি করি। gbajee কে অনেক ধন্যবাদ, এমন চমৎকার একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্য। আমি ভাবতেই পারিনি, এই বয়সে এসেও আমি গেমিংয়ের মজা পাবো! যারা আমার মতো অবসরপ্রাপ্ত, তাদের বলবো, একবার চেষ্টা করে দেখুন, gbajee তে আপনার জন্যেও হয়তো কোনো চমক অপেক্ষা করছে!